করোনার তিন বছরেও চালু হয়নি সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন
<![CDATA[
তিন বছরের বেশি সময় ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত যেতে পারছেন না পাসপোর্টধারীরা। করোনার সময় যাত্রী চলাচল বন্ধ করে দেয়া হলেও সংক্রমণ কমে আসার পর তা এখনও বলবৎ রয়েছে। দীর্ঘ সময় ইমিগ্রেশন বন্ধ থাকার প্রভাব পড়ছে সোনামসজিদ স্থলবন্দরেও।
সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি স্বাভাবিক থাকলেও তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে এই সড়কপথ দিয়ে ভারত যেতে পারছেন না পাসপোর্টধারীরা। এ জন্য বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে বেনাপোল ও হিলি বন্দর দিয়ে ভারতে যেতে হচ্ছে এ অঞ্চলের মানুষকে। তবে বিভিন্ন রুট দিয়ে ভারতে যাওয়া যাত্রীরা দেশে ফিরতে পারছেন এই ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়েই।
আরও পড়ুন: ভারতের বাধায় তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সংস্কার বন্ধ
ভারতগামী যাত্রীরা বলছেন, সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন বন্ধ থাকার ফলে পাশের দেশ ভারতে যেতে অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। ওপারে তাদের আত্মীয়স্বজন আছেন। সুবিধা-অসুবিধায় তারা যেতে পারছেন না।
এদিকে দীর্ঘসময় ইমিগ্রেশন বন্ধের প্রভাব পড়েছে স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিতেও।
এ বিষয়ে সোনামসজিদ আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান রাজু বলেন, ‘বেনাপোল ঘুরে যেতে হচ্ছে। দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে আমাদের অনেক অর্থ গুনতে হচ্ছে।’
আরও পড়ুন: হিলি স্থলবন্দরে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বাড়ল
জেলা প্রশাসকএ কে এম গালিভ খান বলেন, ইমিগ্রেশন চালুর জন্য সরকারের উচ্চপর্যায়ে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, খুব দ্রুত ইমিগ্রেশন চালু করতে বিভাগীয় কমিশনার জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন।
আরও পড়ুন: কমলাপুর টু বিমানবন্দর পাতাল রেল হবে: কাদের
জানা গেছে, গত ২৯ নভেম্বর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সোনামসজিদ স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চালুর সুপারিশ করা হয়েছে।
]]>




