সৈয়দ আমির উদ্দিন পাগলা মিয়া সড়কের দায়িত্ব নিচ্ছে না কেউ!
<![CDATA[
ফেনী শহরের সৈয়দ আমির উদ্দিন পাগলা মিয়া সড়কের বেহাল দশা। খানাখন্দে ভরা সড়কটির মালিকানা নিয়ে দুই দফতরের টানাপোড়েনও চলছে বছরের পর বছর। এতে হচ্ছে না সংস্কারও। পৌর কর্তৃপক্ষ সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগকে হস্তান্তরে অনাপত্তিপত্রটি দিলেও তা বছরেরও বেশি সময় ধরে ঘুরছে টেবিলে টেবিলে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপাল ও ফেনী-কুমিল্লা সড়কের সংযোগ স্থাপন করেছে এ সড়ক। সড়কজুড়ে খানাখন্দে ভরা। বৃষ্টিতে পরিণত হয় ছোট ডোবায়। আর শুকনা মৌসুমে উঠে ধূলিঝড়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সড়কের আশপাশের দোকানদাররা।
দোকানদাররা বলছেন, বর্ষায় হাটু পরিমাণ পানি উঠে। ড্রেন পরিষ্কার করলে পানি কিছুটা কমে, নাহয় দোকানে পানি ঢুকে। হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, আমরা কিছু জানি না। পৌরসভাও একই কথা বলছে। এ রাস্তার দায়দায়িত্ব কার আমরা এখন এটাই জানি না। কার কাছে মিলবে সমাধান!
আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে ৩১ কি.মি মহাসড়কের বেহাল দশা
ফেনীর সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন হাজারীর উদ্যোগে ২০০০ সালে মাটি দিয়ে সড়কটি তৈরি করা হয়। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে সড়কটি পাকা করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর। এরপর সড়কটি ফেনী পৌরসভাকে হস্তান্তর করা হয়।
বছর চারেক আগে মাত্র ১ হাজার ৭০০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ সড়কটি সংস্কারে ফেনী পৌরসভা ব্যয় করেছিল ৩ কোটি টাকারও বেশি। সে সংস্কারের মাত্র ৬ মাস না যেতেই হয় এমন বেহাল দশা।
আরও পড়ুন: বেহাল দশা মহাসড়কের, উত্তরবঙ্গের পথে ভোগান্তি
পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী জানান, সড়ক ও জনপথ বিভাগকে সড়কটি হস্তান্তরের জন্য চিঠি দিয়েছেন।
রাস্তাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শেষ হলে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দেয় সংস্থাটি।
ফেনী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বিনয় কুমার পাল বলেন, ‘প্রস্তাবনা এসেছে, আমরা সেটা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। সেখান থেকে অনুমোদন পেলে আমরা কাজ শুরু করব।’
আরও পড়ুন: কুয়াকাটায় ৭ কিলোমিটার সড়কে বেহাল দশা, ভোগান্তি
সড়কটি ঘিরে গত ২২ বছরে গড়ে উঠেছে কমপক্ষে তিন শতাধিক ভবন এবং দেড় হাজারের মতো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
]]>




