নতুন বছরে সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিকল্পনা বিসিবির
<![CDATA[
পরিকল্পনা সত্ত্বেও পাইপলাইনে প্রতিভাবান ক্রিকেটার না থাকার কারণে তিন ফরম্যাটে আলাদা দল গঠন করতে পারেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তাই বাধ্য হয়েই অফফর্মের ক্রিকেটারদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলাতে হয়। সংকট সমাধানে নতুন বছরে তাই ভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিতে যাচ্ছে বোর্ড।
দরজায় কড়া নাড়ছে বিপিএলের উন্মাদনা। আগামী এক মাসের বেশি সময় ব্যাট-বলের লড়াইয়ে বুদ থাকবে সবাই। কিন্তু প্রশ্নটা হলো- মুমিনুল-সাদমানসহ যারা ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই লিগে দল পাননি, তাদের কি হবে!
আরও পড়ুন: ২০২৩ সালে বাংলাদেশের ক্রিকেটসূচি
রাসেল ডমিঙ্গোর বিদায়ে এমনিতেই হেড কোচহীন দেশের ক্রিকেট। তার ওপর ওয়ানডে বিশ্বকাপের বছরে টাইগারদের টেস্টের সংখ্যাও খুব কম, সর্বসাকুল্যে সংখ্যাটা মোটে পাঁচ। তাই প্রশ্নটা করতেই হয়- যারা শুধুমাত্র রঙিন বল অর্থাৎ টেস্ট ক্রিকেট খেলেন তাদের নিয়ে বিসিবির পরিকল্পনা কী? প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু।
তিনি বলেন, ‘এ’ টিমের কিছু ব্যাক টু ব্যাক প্রোগ্রাম আছে। যারা টেস্ট খেলে তাদের জন্য প্রোগ্রামগুলো সেট করা হচ্ছে। এখানে কোনো ঘাটতি থাকবে না। সবাইকে তৈরি করে রাখা হবে।
টেস্ট স্ট্যাটাসের ২৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও অভিজাত ফরম্যাটের কালচার গড়ে ওঠেনি বাংলাদেশে। বিসিবি কর্তারাও শুধু আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ। এমনকি তিন ফরম্যাটে আলাদা দল গঠনের কথা বলা হয়েছে বারংবার। কিন্তু ক্রিকেটার সংকটে শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে উঠেনি। নতুন বছরেও সে সম্ভাবনা ক্ষীণ। এসব বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল বোর্ড পরিচালক আকরাম খানকে।
আকরাম বলেন, আমাদের কাছে ভালো প্লেয়ার অনেক আছে। কিন্তু কোয়ালিটি প্লেয়ার কম। এখনই প্লেয়ার সেট করে রাখতে হবে। সাধারণত কেউ খারাপ করলে আমরা তাকে বসিয়ে নতুন প্লেয়ার আনি। সেই প্লেয়ারও খারাপ করলে পুরনো প্লেয়ারকে এনে খেলানো হয়। এভাবে না করে আমার মনে হয় প্লেয়ারদের ওপর কনফিডেন্স রাখা উচিত।
আরও পড়ুন: ২০২৩ হতে পারে দেশের ক্রিকেটের ইতিহাস লেখার বছর
২০১৯ থেকে ২০২২, গেল তিন বছরে ২৪ টেস্টে মোটে তিনটা জয় আছে টাইগারদের। অনেকে বলছেন, এ বছরেও হয়তো খুব একটা বদলাবে না সে চিত্র। তাই তো বিপিএলের ধুমধারাক্কার মাঝেও শোনা যায় মুমিনুলতের হাপিত্যেশ। অবশ্য বোড কর্তাদের কানে সে আওয়াজ পৌঁছায় কি না, তা তর্কের দাবি রাখে।
]]>




