বিনোদন

গরম কাপড়ের অভাবে নির্ঘুম রাত

<![CDATA[

পৌষের শেষে এসে শীতে কাঁপছে সারা দেশ। দিনে যেমন তেমন হলেও রাতের হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় কষ্টটা একটু বেশি রাজধানীর নিম্নআয় ও ছিন্নমূল মানুষের। গরম কাপড় না থাকায় অনেকের কাটছে নির্ঘুম রাত। কেউ আশায় থাকেন একটা কম্বল পাওয়ার। আবার অনেকে আশা-নিরাশায় না থেকে আগুনের উত্তাপে খুঁজে নেন একটুখানি স্বস্তি।

বুধবার (৪ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পৌষের শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশা আর হালকা বাতাস সব মিলে যেন এক জবুথবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। কনকনে ঠান্ডা আর হিম বাতাসে নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে রাতের ঢাকা। লেপ কম্বলের উষ্ণতায় নগরবাসী যখন ঘুমে বিভোর তখন এ শহরেই ছিন্নমূল অনেকে অপেক্ষায় থাকেন কখন শেষ হবে ভোগান্তির এ রাত।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, শীত থেকে রেহাই পেতে কেউ গায়ে জড়িয়েছেন পাতলা চাদর কিংবা পুরনো কাঁথা। কেউবা ঢুকেছেন প্লাস্টিকের বস্তায়। আবার কেউ বেহুশ হয়ে পড়ে আছেন নেশার ঘোরে। তবে তীব্র শীতে ঘুমাতে না পেরে রাতের প্রহর গুনছেন জমেলা আর জামিরুনের মতো ষাটোর্ধ্ব নারীরা।

আরও পড়ুন: ঢাকায় হঠাৎ এত শীত কেন?

শীত বাড়ায় রাজধানীর বিভিন্ন ওভারব্রিজের নিচে কিংবা দোকানের সামনের অংশের ছোট্ট ছাউনি নিয়েও চলছে তাদের প্রতিযোগিতা। ছিন্নমূল এসব মানুষদের একটু স্বস্তি দিতে মাঝরাতে কম্বল নিয়ে বের হন কেউ কেউ। তবে চাহিদার তুলনায় কম হওয়ায় কাড়াকাড়িতে মুহূর্তেই সব শেষ হয়ে যায়।

তীব্র শীতের রাতেও হাড়ভাঙা পরিশ্রমে চলে যাদের সংসার তাদের কষ্টটা যেন আরও বেশি হয়ে দেখা দিয়েছে। কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে রিকশা নিয়ে বের হয়েছেন আবদুল মজিদ নামে এক ব্যক্তি।

তিনি বলেন, সংসারে ৫ জন মানুষ, একা রোজগার করি, ভাড়া রিকশা, তাই রাতে চালাতে হয়, দিনে অন্যজন এ কাজ করেন।

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বুধবার (৪ জানুয়ারি) রাতে সময় সংবাদকে আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান জানান, রাজধানীতে আগামী কয়েকদিন শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকবে। ঢাকায় শীতের সঙ্গে হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশা রয়েছে; এ জন্য শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকবে।
 

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also
Close
Back to top button
error: Content is protected !!