শীতের তীব্রতায় শুকনো কাশি আর কফে করণীয়
<![CDATA[
যেভাবে শীত বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে সর্দি-কাশিতে আক্রান্তের প্রবণতাও। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সবাই কমবেশি ভুগছেন ঋতু পরিবর্তনের এই মৌসুমে। এমন বিরক্তিকর পরিস্থিতি থেকে সহজে মুক্তির উপায় কি জানেন?
সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলে প্রায়ই নাক বন্ধ হয়ে যায়, নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বুকে ব্যথা অনুভব হয়। বুকে জমে থাকা কফ ও কাশির কারণে অনেক সময় ঘুমেরও ব্যাঘাত ঘটে।
এ সমস্যার সমাধান পেতে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে গিয়ে হাই-এন্টিবায়োটিক ও ঠান্ডার ওষুধ খেতে শুরু করেন। অনেকে হয়তো চিকিৎসকের পরামর্শও ধার ধারেন না। নিজেই ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খেতে শুরু করেন, যা মোটেও উচিত নয়।
আরও পড়ুন: শীতে চার কারণেই চুল বেশি ঝরে
তাই আজকের আয়োজনে থাকছে ঘরোয়া কিছু টিপস। এসব টিপস বুকে জমে থাকা কফসহ সর্দি-কাশি দূর করতে পারে নিমেষে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে।
১. গরম পানির সঙ্গে এক চামচ মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে খান। এই পানীয় বুকে জমে থাকা কফ সরিয়ে আপনাকে আরাম দেবে।
২. সর্দি, জ্বরে ঘুমানোর সময় মাথা কিছুটা উঁচু করে রাখুন। এতে শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়া অনেকটা সহজ হবে।
৩. ঠান্ডায় টমেটো এবং আদা-রসুনের স্যুপ দারুণ কাজ করে। এটি শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করার সঙ্গে সঙ্গে কফ থেকে মুক্তি দেবে।
৪. একটি পাত্রে গরম পানি নিয়ে সেটি থেকে নাকে-মুখে ভাপ নিন। এ ভাপ নাকের ছিদ্র পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
৫. অনেকেই সর্দি-কাশি হলে গোসল করতে চান না। এতে বুকে ও গলায় কফ বসে যায়। কফের রং সাদা থেকে হলুদাভ হয়ে ভারী হয়ে ওঠে, যা শ্বাস নিতে আপনাকে আরও কষ্ট দিতে শুরু করে। তাই প্রতিদিন কুসুম গরম পানিতে গোসল করার অভ্যাস করুন। এতে সর্দি বুকে বসে যাবে না।
৬. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করুন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীরের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি জোগায়।
৭. সর্দি-কাশিতে দ্রুত আরাম পেতে নাকের ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। ড্রপ ব্যবহার করতে না চাইলে সরিষার তেলে রসুন গরম করে কান, নাক ও নাভিতে বেশি করে লাগিয়ে নিন।
আরও পড়ুন: খেজুর গুড় খেলে শরীরে কী হয়?
৮. দুটি রসুনের কোয়া ও ১ টেবিল চামচ মৌরি ভালো করে ভেজে বেটে নিন। এবার এই মিশ্রণটি একটি পরিষ্কার কাপড়ে বেঁধে পুটলি তৈরি করে ঘুমানোর স্থানে রাখুন। এটি চারপাশের স্থান গরম রাখতে পারে। এর থেকে বের হওয়া সুবাস বন্ধ নাক খুলে দিতেও কার্যকরী।
৯. অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান পেতে সরিষা বাটা গরম ভাতের সঙ্গে খান। ভরা পেটে কিংবা খালি পেটে আদা তুলসির রসও এ সময় ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
]]>




