পার্লামেন্টের সঙ্গে বিরোধের জেরে কুয়েতের মন্ত্রিসভার পদত্যাগ
<![CDATA[
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসানে মাত্র ৩ মাস আগে গঠিত কুয়েতের সরকার ফের পদত্যাগ করেছে। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) কুয়েতের মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করেছে। খবর রয়টার্সের।
সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, বিরোধী নেতৃত্বাধীন পার্লামেন্টের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে তারা পদত্যাগ করেছেন। কুয়েতের সরকারি বার্তা সংস্থা কুনা পরিবেশিত খবরে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ আহমেদ নাওয়াফ আল-আহমেদ আল-সাবাহ যুবরাজ শেখ মেশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ’র কাছে মন্ত্রি সভার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
বিস্তারিত কোন ব্যাখা না দিয়ে মন্ত্রিসভার বিবৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে কুনা জানায়, কার্যনির্বাহী এবং আইন প্রণয়ন কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় তারা পদত্যাগ করেন। মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) পার্লামেন্ট অধিবেশন ডাকার কথা ছিল।
গত বছর কুয়েতের আমিরের বেশিরভাগ দায়িত্ব গ্রহণের পর ক্রাউন প্রিন্স শেখ মেশাল আল-আহমাদ আল-সাবাহ দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ আহমেদের নাম ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসানে সংসদ ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচনের ডাক দেন তিনি।
আরও পড়ুন: আরব বিশ্বের দ্বিতীয় নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ দেশ কুয়েত
কুয়েতে রাজনৈতিক দলের অনুমতি না থাকলেও দেশটির সংসদের ক্ষমতা অন্যান্য উপসাগরীয় রাজতন্ত্রের তুলনায় অনেক বেশি। দেশটির সংসদের আইন পাস ও আটকে দেয়ার ক্ষমতা, মন্ত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের ডাক দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে।
অক্টোবরে শপথ গ্রহণকারি বিদায়ী মন্ত্রিসভা ছিল কুয়েতে বিগত ৩ বছরের মধ্যে ষষ্ঠ মন্ত্রিসভা। গত সেপ্টেম্বরে দেশটিতে বিরোধী নেতৃত্বাধীন একটি পার্লামেন্ট গঠন করা হয়। এক দশকের মধ্যে কুয়েতে এটি ছিল ষষ্ঠ নির্বাচন।
আরও পড়ুন: বৈশ্বিক মন্দার চ্যালেঞ্জ নিয়েই এগুচ্ছেন কুয়েত প্রবাসীরা
কুয়েতে মন্ত্রিসভার সঙ্গে সংসদের অচলাবস্থা কয়েক দশক ধরে চলে আসছে। যা বিভিন্ন সময়ে দেশটির সরকারের রদবদল এবং সংসদ ভেঙে দিয়ে সমাধান করা হয়েছে।
]]>




