বাস চলাচল নেই, তবুও নির্মিত হয়েছে অসংখ্য যাত্রীছাউনি
<![CDATA[
ঠাকুরগাঁওয়ের আঞ্চলিক সড়কগুলোর পাশে নির্মিত অধিকাংশ যাত্রীছাউনি এখন কোনো কাজেই আসছে না। প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের লাখ লাখ টাকা ব্যয় করা হলেও মুখ থুবড়ে পড়ে থাকছে নির্মিত এসব যাত্রীছাউনি।
সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে ঠাকুরগাঁও জেলার অভ্যন্তরীণ প্রতিটি সড়কের পাশে প্রকল্পের মাধ্যমে জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষ যাত্রীছাউনি নির্মাণ বাস্তবায়ন করে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিন চাকার যানবাহনের দাপটে গড়েয়া, রুহিয়া, লাহিড়ী, ভাউলারহাট, বালিয়াডাঙ্গীসহ বেশকিছু আঞ্চলিক সড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
এরপরও এসব সড়কের পাশে প্রতিবছর গড়ে তোলা হচ্ছে যাত্রীছাউনি, যা এখন আর কোনো কাজেই আসছে না। সুবিধামতো স্থান থেকে তিন চাকার যানবাহন ইজিবাইক, পাগলু, অটোরিকশায় গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন সাধারণ যাত্রীরা। ফলে রোদ, বৃষ্টি এবং দুর্যোগসহনীয় এসব যাত্রীছাউনি অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সরকারের এসব স্থাপনা দেখভালের অভাবে নষ্টও হচ্ছে। পরিণত হয়েছে নেশাখোরদের আড্ডাখানায়।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত
স্থানীয়দের অভিযোগ আন্তঃজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি যাত্রীছাউনি সদরের আকচা ইউনিয়নে, যা কোনো কাজে আসছে না। উল্টো প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় স্থানে এসব ছাউনি স্থাপন করে বেশকিছু অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ঠিকাদার সুব্রত কুমার বর্মণ।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও স্থানীয় সরকারের জেলা ফ্যাসিলিটেটর শফিকুল আলম বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের চাহিদার কারণেই এসব যাত্রীছাউনি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সেটা কাজে লাগছে কি লাগছে না, জনপ্রতিনিধিরা ভালো বলতে পারবেন। আমাদের দায়িত্ব কাজ যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়, সেটি দেখা। আমরা সে বিষয়ে তদারকি করেছি।’
স্থানীয় সরকার ও জেলা পরিষদের তথ্যমতে, আন্তঃজেলায় প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের আওতায় ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার টাকায় ২৯টি ও জেলা পরিষদের আওতায় ২০০০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সাড়ে ১৪ লাখ টাকায় ১৮টি মোট ৪৭টি যাত্রীছাউনি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
]]>




