যুক্তরাষ্ট্রে অহরহ বন্দুক হামলার কারণ কী?
<![CDATA[
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বেশ কিছু বন্দুক হামলার কারণ অনুসন্ধান করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ‘ন্যাশনাল থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট সেন্টার’। বলা হচ্ছে, দেশটিতে ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বন্দুক হামলার ঘটনার অর্ধেকই ঘটেছে ব্যক্তিজীবন ও কর্মক্ষেত্রের অসন্তোষ থেকে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে বন্দুক সহিংসতার ঘটনা। এতে প্রাণ হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন প্রণয়ন এবং সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হলেও লাগাম টানা যাচ্ছে না এ ধরনের ঘটনার। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া বন্দুক হামলার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ন্যাশনাল থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট সেন্টার।
আরও পড়ুন: লস অ্যাঞ্জেলেসে বন্দুক হামলা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১
সংস্থাটির বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে যেসব হামলার ঘটনা ঘটেছে তার ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, হামলাকারী ব্যক্তিগত সংকট, পারিবারিক অশান্তি এবং কর্মক্ষেত্রে নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
প্রতিবেদনটি তৈরি করতে গোয়েন্দা সংস্থাটি অন্তত ১৭৩টি আলাদা ঘটনা তদন্ত করে দেখেছে। যেখানে কর্মক্ষেত্র, স্কুল, উপাসনালয়, গণ পরিবহনসহ আরও কয়েকটি স্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। ওই সব হামলায় ৫১৩ জন নিহত এবং এক হাজার ২৩৪ জন আহত হয়েছেন।
বন্দুক সহিংসতার ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হামলাকারীর মধ্যে সহিংসতার প্রতি আগ্রহ, সে সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেয়া, এ বিষয়ে অন্যদের সঙ্গে কথা বলা, নিজের কর্মক্ষেত্র কিংবা স্কুলে অস্ত্র আনার মতো আচরণ দেখা যায়। ৭৩ শতাংশ ক্ষেত্রে হামলার জন্য নিজস্ব আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। আর এসব ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই হামলাকরী পুরুষ ছিল বলেও জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে বছরের শুরুতেই ৩৬টি বন্দুক হামলা, নিহত ৫৯
প্রতিবেদনে হামলার যেসব কারণ ও হামলাকারীর আচরণের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে যেকোনো বন্দুক সহিংসতা ঘটার আগেই থামিয়ে দেয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন ন্যাশনাল থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট সেন্টার।
]]>




