বাংলাদেশকে প্রতিদান দেয়ার সময় এসেছে ভারতের, বলছেন পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্টজনরা
<![CDATA[
বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিদান দেয়ার সময় এসেছে বলে মনে করেন পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্টজনরা। দুই দেশের মধ্যে আন্তঃসংযোগ, অর্থনীতি ও পানিবণ্টনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর একটা স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন বলেও মনে করেন তারা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর কেন্দ্র করে নয়াদিল্লিতে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠক এবং ভারত-বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কোন পথে এগোচ্ছে, তা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই চলছে তুমুল হইচই। প্রতিবেশী এই দেশ দুটির মধ্যে কূটনৈতিক সুসম্পর্ক থাকার পরও পারস্পরিক বেশকিছু বিষয়ে রয়েছে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ।
বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরেই পানির ন্যায্য হিস্যার দাবি তুলে আসছে বাংলাদেশ। এক দশক পার হলেও তিস্তার পানিবণ্টনের খসড়া চুক্তির বাস্তবায়ন করতে পারেনি নয়াদিল্লি। নিজ দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে কথা দিয়ে কথা রাখতে না পারায় ভারত আন্তর্জাতিক মহলে ভাবমূর্তি সংকটে পড়ছে বলে মনে করেন পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ সাংবাদিক ও বিশ্লেষক সুবীর ভৌমিক।
তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি যে সমস্যাটা কোথায়। সমস্যাটা হলো পশ্চিমবঙ্গে। তো এখানে যিনি দায়িত্বে আছেন, তিনিই বেগড়া দিয়ে আসছেন। এতে দেশের ভাবমূর্তিটা উজ্জল হচ্ছে না। দুই দেশের মধ্যে যে একটা প্রতিশ্রুতি, সেটাও রক্ষা করা যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন: রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক অস্থিরতার দিকে নজর রাখছে ভারত
তিস্তার পানিবণ্টন ইস্যু ছাড়াও দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করতে দিল্লিকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলেও মনে করেন তিনি। বর্ষীয়ান এই সাংবাদিক বলেন, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে পশ্চিমবেঙ্গর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত জ্যোতি বসু যেভাবে গঙ্গা চুক্তির বাস্তবায়ন করেছিলেন, একই রকম উদ্যোগ নিতে হবে আবারও।
সুবীর ভৌমিক বলেন, শেখ হাসিনার কাছে ভারত সরকারের মোটামুটিভাবে যা চাওয়ার ছিল, তাতে মনে হয় নতুন করে আর চাওয়ার কিছু নেই। এখন ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিশ্রুতি পূরণ করার সময় এসেছে।
এ ছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যুতেই ভারতের ভূমিকা নিয়ে মুখ খোলেন এই বিশ্লেষক। বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীতে চীনের প্রভাব বেশি থাকায় এক্ষেত্রে ভারত খুব বেশি সুবিধাজনক অবস্থানে নেই।
]]>




