জয়ের পথে শ্রীলঙ্কা
<![CDATA[
উড়ন্ত শুরুর পর ৪ উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খেলেও জয়ের পথেই রয়েছে শ্রীলঙ্কা। টিম ইন্ডিয়ার বিপক্ষে ১৫ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ ১২০। জয়ের জন্য ৩১ বলে ৫৪ রান দরকার লঙ্কান বাহিনীর। এ মুহূর্তে ক্রিজে রয়েছেন ভানুকা রাজাপাকসে ও দাসুন শানাকা।
রান তাড়া করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে বটেই, ওপেনিং জুটিতেই বড় সংগ্রহ পায় শ্রীলঙ্কা। প্রথম ৬ ওভারে ৫৭ রান তোলার পর তাদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ৯৭ রানে। ইনিংসের ১৩তম ওভারে মারকুটে পাথুম নিসাঙ্কাকে ফেরান যুজবেন্দ্র চাহাল। ৩৭ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেন লঙ্কান ওপেনার। চাহাল একই ওভারে ফেরান ওয়ানডাউনে নামা চারিথ আসালাঙ্কাকেও। ৩ বল খেলেও আসালাঙ্কা কোনো রান করতে পারেননি। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি দানুস্কা গুনাথিলাকাও। অথচ ৭ বল খেলে তিনি করেন মাত্র ১ রান। শ্রীলঙ্কার আরেক ওপেনার কুশাল মেন্ডিসকে আউট করেন চাহাল। ৩৭ বলে কুশাল করেন ৫২ রান।
আরও পড়ুন: কোহলি হারিয়ে দিয়েছে ভারতকে!
সুপার ফোরে টিকে থাকার লড়াইয়ে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ভারত। দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা ব্যাট হাতে প্রথম ওভারটা ভালোভাবে মোকাবিলা করলেও বিপত্তি ঘটে দ্বিতীয় ওভারে। দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে মহেশ থিকসানার করা বল মাটিতে পড়ার আগেই রাহুলের ব্যাটের পাশ কেটে স্পর্শ করে পায়ে। লঙ্কানদের লেগ বিফোরের আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিলেও পরিবর্তন হয়নি সিদ্ধান্তের। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন রাহুল। পরের ওভারে দিলশান মাধুশাঙ্কা এসে উপড়ে ফেলেন বিরাট কোহলির স্টাম্প। টানা দুই ফিফটির পর কোহলি এদিন প্যাভিলিয়নে ফেরেন রানের খাতা খোলার আগেই। গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৫ রান আর হংকংয়ের বিপক্ষে খেলেন অপরাজিত ৫৯ রানের ইনিংস। আর সুপার ফোরে বাবর আজমদের বিপক্ষে কোহলির ব্যাট থেকে আসে ৬০ রান।
শুরুর ধাক্কা সামলে সূর্যকুমার যাদভকে নিয়ে শ্রীলঙ্কার বোলারদের ওপর চড়াও হন রোহিত শর্মা। একের পর এক বাউন্ডারি, ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ভারত অধিনায়ক তুলে নেন ক্যারিয়ারের ২৮তম ফিফটি। শেষ পর্যন্ত ইনিংসের ১৩তম ওভারে এসে রোহিত ঝড় থামান চামিকা করুনারত্নে। ৪১ বল মোকাবিলায় ৭২ রানের ইনিংস খেলেন রোহিত। তার ইনিংসটি ৫ চার ও ৪ ছক্কার মারে সাজানো ছিল। ১৩তম ওভারে করুনারত্নের করা স্লোয়ার শর্ট বল আপার কাট খেলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন রোহিত। ধরা পড়েন ডিপ পয়েন্টে থাকা নিসাঙ্কার হাতে। আর তাতে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ভাঙে রোহিত-সূর্যকুমারের ৯৭ রানের জুটি।
আরও পড়ুন: রানে-উইকেটে এগিয়ে যারা
এক ওভার পর সাজঘরে ফেরেন সূর্যকুমারও। দাসুন শানাকার করা স্লোয়ার বাউন্স ব্যাটের স্পর্শে শর্ট থার্ড অঞ্চল পার করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন তিনি। আগে থেকে দাঁড়িয়ে থাকা থিকসানা সহজে বল তালুবন্দি করেন। সমান এক চার ও ছক্কার মারে ২৯ বল মোকাবিলায় ৩৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন সূর্যকুমার। পঞ্চম উইকেটে ব্যাট হাতে নেমে এক ছক্কার মারে ১৩ বলে ১৭ রান করে আউট হন হার্দিক পান্ডিয়া। তাকে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচে পরিণত করেন লঙ্কান অধিনায়ক শানাকা। জীবন পেয়েও কাজের কাজ কিছুই করতে পারেননি দীপক হুডা। ৪ বলে ৩ রানের ইনিংস খেলে তিনি বোল্ড হন মাধুশাঙ্কার বলে। এক বল বিরতি দিয়ে ১৩ বলে ১৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন রিশাভ পন্ত।
শেষদিকে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ৭ বলে ১৫ রানের ইনিংসে ভর করে সংগ্রহটা ১৭০ ছাড়ায় ভারত। লঙ্কানদের পক্ষে ২৪ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করেন দিলশান মাধুশাঙ্কা। দুটি করে উইকেট শিকার করেন চামিকা করুনারত্নে ও দাসুন শানাকা।
]]>




