চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিতের পথে বাংলাদেশের বাধা কাতার-বাহরাইন
<![CDATA[
এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে বাহরাইন যাচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল। গ্রুপে শক্ত প্রতিপক্ষ থাকলেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য ফুটবলারদের। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে কাতার-বাহরাইনের মতো দলের সঙ্গে পার্থক্য খুব বেশি না থাকায় আত্মবিশ্বাসী কোচিং স্টাফ।
অনূর্ধ্ব-২০ এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে বাংলাদেশকে সামলাতে হবে কাতার বাহরাইনের মতো কঠিন প্রতিপক্ষ। আবার নেপাল-ভুটানের মতো সমমানের দলও আছে গ্রুপে। সবাইকে টেক্কা দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন কিংবা সেরা পাঁচ রানার্সআপের মধ্যে থাকতে পারলেই মিলবে মূল পর্বের টিকিট।
বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২০ এর এই দলটা আক্ষরিক অর্থেই স্বপ্ন দেখাচ্ছে আগামীর। সদ্য সমাপ্ত সাফে তার আভাস পাওয়া গেছে। এবার আরও শক্তিশালী দল নিয়ে বাহরাইন মিশনে যাচ্ছে লাল সবুজ। যাদের নিয়ে ব্যাপক আশাবাদি হেড কোচ।
আরও পড়ুন:সেমিফাইনাল নিশ্চিতের ম্যাচে মালদ্বীপের মুখোমুখি বাংলার যুবারা
অনূর্ধ্ব -২০ দলের কোচ রাশেদ আহমেদ বলেন, ‘প্রথম লক্ষ্যটাই আমাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়া, দ্বিতীয় লক্ষ্য রানারআপ হওয়া। সাফে আমরা যে স্ট্র্যাটেজিতে খেলেছি, সে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে আমরা কাজগুলো এগিয়ে নিচ্ছি এবং এখানে প্লেয়াররা বোঝাপড়াটা বাড়িয়ে নিচ্ছে, কারণ হচ্ছে একটাই অল্প সময়ে যদি আমরা এখান থেকে কনভার্ট করি, ট্রানজিশন করি এখান থেকে, তাহলে বুঝতে অনেক কষ্ট হবে। সে ক্ষেত্রে আমরা ওই প্রেসিং ফুটবলটাই চেষ্টা করতেছি। পাশাপাশি যে নতুন প্লেয়াররা আসছে তাদের আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা নিয়ে কাজ করছি।’
লাল-সবুজদের এই দলে সাফ অনূ্র্ধ্ব-২০ স্কোয়াডের আছেন ১২ জন। যার ৯ জনই সেরা একাদশের খেলোয়াড়। এর মধ্য থেকে ১৫ জনের আছে বিপিএল খেলার অভিজ্ঞতা। পাঁচজনের বিসিএল। বাকি তিন জন এলিট একাডেমির।
আরও পড়ুন:প্টেম্বর ২০২২ সাফ উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপ মালদ্বীপের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ
অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের অধিনায়ক তানভির হোসাইন বলেন, ‘সাফে আমাদের যে সমস্যাগুলো ছিল ওগুলো নিয়ে আমাদের কোচ কাজ করেছে। তো এগুলো নিয়ে সামনে যে দু-তিনদিন আছে, আরও কাজ করব প্রথম ম্যাচের আগেই। প্রথম ম্যাচ আমাদের বাহরাইনের বিপক্ষে। স্বাগতিক বাহরাইনের বিপক্ষে কীভাবে আমাদের খেলতে হবে তা নিয়ে কাজ করছি আমরা। ইনশাআল্লাহ, আমরা আশা করছি প্রথম ম্যাচটা যদি ভালোভাবে শুরু করি তাহলে ভালো কিছু আশা করা যায়।’
জাতীয় দলের অ্যাসাইনমেন্ট থাকায় এশিয়ান কাপ বাছাই খেলা হচ্ছে না রিমন ও ইয়াসিনের। আর পাসপোর্ট জটিলতায় যাওয়া হচ্ছে না মোরসালিনের।
]]>




