দিনাজপুরে অন্যরকম হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা
<![CDATA[
দিনাজপুরের ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে বীরগঞ্জে আয়োজন করা হয় হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা। জনপ্রিয় এই হাঁস খেলা দেখতে দূর দূরান্ত থেকে আসেন বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। হারিয়ে যাওয়া এ ধরনের খেলা নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করতে হাঁস ধরা প্রতিযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।
চোখ বেঁধে দেওয়া হয় সকলের। সবাই ছুটতে থাকেন ছেড়ে দেওয়া হাঁস ধরতে। এই খেলা দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন হাজারও নারী পুরুষ।
বীরগঞ্জ উপজেলায় আয়োজন করা হয় দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী এই খেলা। মাঠের মাঝ খানে ছেড়ে দেওয়া হয় একটি পাতিহাঁস। আর সে হাঁস ধরতে চোখ বাঁধা একদল প্রতিযোগী। সময় মাত্র ১০ মিনিট। প্রতিটি দলে আছে ৬ জন করে প্রতিযোগী। রেফারির বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় হাঁস ধরার লড়াই। দর্শকদের আনন্দ-উল্লাসে জমে ওঠে খেলা।
আরও পড়ুন:ইউরোপ কাঁপাচ্ছেন বাংলাদেশে জন্ম নেয়া বক্সার!
জনপ্রিয় হাঁস খেলা দেখতে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ উপচে পড়া ভীড়। এ ধরনের খেলা দেখে আনন্দিত দূর দূরান্ত থেকে আসা দর্শক ও প্রতিযোগীরা।
এ খেলা প্রতিবছর আয়োজনের দাবি সবার। যুব সমাজকে অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে দূরে রাখতে এ খেলা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে মনে করেন বীরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোশারফ হোসেন বাবুল। তিনি বলেন, ‘আজকের যুবসমাজ মোবাইল গেম থেকে দূরে থাকবে, মাদক থেকে দূরে থাকবে, এই সমাজকে মূল্যবোধের অবক্ষয় থেকে ধরে রাখতে হলে এখন আমাদের আগের ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে পুনরায় শুরু করতে হবে। ‘
আরও পড়ুন:আবারও নতুন রাজা হচ্ছেন কে?
আয়োজকদের অন্যতম নিখিল বলেন, ‘এই খেলাগুলোর মধ্য দিয়েই আমাদের এই বাংলাদেশের যুবসমাজ নেশা ও মোবাইলের গেমের মতো আসক্তি থেকে মুক্তি পায়।’
বীরগঞ্জ নবশিল্পী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত হাঁস ধরা প্রতিযোগিতায় শিশু,নারী ও পুরুষের মোট ৯ টি দল অংশ নেয়।
]]>




