বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক, ঝুঁকি কমাতে যা করবেন
<![CDATA[
সারাবিশ্বে প্রতিনিয়ত বহু মানুষ হার্ট অ্যাটাকে করছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই মারাও যাচ্ছেন। তাই এই রোগ সম্পর্কে আমাদের আরও বেশি সাবধান ও সচেতন থাকা জরুরি।
বিভিন্ন মানসিক দু:শ্চিন্তার কারণে নারীদের তুলনায় পুরুষদের হার্ট অ্যাটাক বেশি হয় এমন ধারণা অনেকের। কিন্তু এক সমীক্ষায় দেখা যায়, পুরুষদের চেয়ে নারীদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।
সমীক্ষা বলছে, পুরুষদের চেয়ে নারীদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি। দেখা গেছে, পুরুষের হৃদযন্ত্রের সমস্যা ধরা পড়লে, তার চিকিৎসা যতটা ফলপ্রসূ হয়, মেয়েদের ক্ষেত্রে ততটা হয় না। কারণ, নারীদের ক্ষেত্রে রোগ ধরা পড়ে দেরিতে। অত্যধিক পরিশ্রম, শারীরিক এবং মানসিক ক্লান্তি, অবসাদ, সঠিক সময়ে খাবার না খাওয়ার মতো কয়েকটি কারণে নারীদের মধ্যে বাড়ছে হৃদরোগের আশঙ্কা।
আরও পড়ুন: চুলের ক্ষণিকের স্টাইলে দীর্ঘকালীন বিপর্যয়: সৌন্দর্য হারাতে বসেছেন আপনি!
এই কারণগুলোকেই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার একমাত্র কারণ বলে মানতে নারাজ চিকিৎসকরা। এগুলো ছাড়াও ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, অত্যাধিক ধূমপান করা, শরীরচর্চা না করা- এই কারণগুলোও হৃদরোগের আশঙ্কা দ্বিগুণ হারে বাড়িয়ে তোলে। বাড়ি এবং অফিস দুই-ই একা হাতে সামলান অনেকে। অতিরিক্ত চাপ জন্ম দেয় হৃদরোগের।
আসুন জেনে নেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে আমাদের প্রত্যাহিক জীবনে কী কী বিষয়গুলো মেনে চলা জরুরি-
নিয়মিত শরীরচর্চা
নিয়মিত শরীরচর্চা করা অত্যন্ত জরুরি। শারীরিক কসরত ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হৃদরোগের আশঙ্কাও কমায়। রোজের ব্যস্ততায় অনেকেই আলাদা করে শরীরচর্চা করার সময় পান না। তেমন হলে বেশি হাঁটাচলা করুন। অফিসে সব সময়ে বসে না থেকে, কাজের ফাঁকে বিরতি নিয়ে একটু হেঁটে নিন। লিফটের বদলে ব্যবহার করতে পারেন সিঁড়িও।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
স্থূলতা কিন্তু হৃদরোগের অন্যতম কারণ। বাড়তি ওজন বাড়িয়ে তোলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা। হৃদ্রোগ ছাড়া আরও অনেক রোগের ঝুঁকি এড়াতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: উচ্চতা কম হলেও নিজেকে লম্বা দেখাবেন যেভাবে
টেনশনমুক্ত থাকা
মানসিকভাবে সুস্থ থাকুন। মানসিক উদ্বেগ এবং অবসাদ হৃদযন্ত্রের জন্য মারাত্মক পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে। ব্যস্ততা, কাজের চাপ থাকবে। তা নিয়ে বাড়তি চিন্তা সমস্যা বাড়াতে পারে। তাই উদ্বেগমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।
স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া
স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার-সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়ার চেষ্টা করুন। কী খাচ্ছেন তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ কখন খাচ্ছেন। খাওয়ার সময়টাও সমান কিন্তু সমান খেয়াল রাখা জরুরি।
]]>




