কুষ্টিয়ায় ফাঁসির পলাতক আসামি গ্রেফতার
<![CDATA[
নাতনীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় শিক্ষকসহ দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নয়নকে বিদেশি পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাব-১২ কুষ্টিয়া কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মো. ইলিয়াস খান।
তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নয়ন শেখের বাড়ি ভেড়ামারা উপজেলার ফকিরাবাদ গ্রামে। রোববার রাতে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পলাশী গ্রামের শ্বশুর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মো. ইলিয়াস খান আরো জানান, ২০১৬ সালে হত্যাকাণ্ডের পর নয়ন প্রথমে ঢাকায় পালিয়ে যায়। তারপর কোর্টে আত্মসমর্পণ করে এ মামলায় দেড় বছর জেলে ছিল। জামিনে মুক্তি পেলেও পরবর্তীতে জামিন বাতিল হওয়ায় নয়ন ভারতে পালিয়ে যায়। সেখানে তিনি এক গৃহস্থের বাড়িতে মহিষের রাখাল হিসেবে কাজ করত। ভারতে থাকা অবস্থায় নয়ন কুষ্টিয়া ও রাজশাহীর বালুর ইজারাদারদের থেকে বিকাশের মাধ্যমে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে নিজস্ব ট্রলারযোগে মাদক ব্যবসা ও মারামারির অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন: ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ১৭ বছর পর গ্রেফতার
এদিকে ভেড়ামারা ও দৌলতপুর থানায় নয়নের বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র, একটি ডাকাতি ও একটি ছিনতাই মামলা এবং দুইটি মারামারির মামলা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগর এলাকায় দুর্বৃত্তরা অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে ফকিরাবাদ গ্রামের মুজিবর রহমান মাস্টার ও তার ভাই মিজানুর রহমানকে হত্যা করে। সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া নাতনীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় তাদের হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক নয়ন শেখসহ চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও সাত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।
]]>




