বিনোদন

উত্তেজনা বাড়িয়ে আর্মেনিয়ায় ন্যান্সি পেলোসি

<![CDATA[

আর্মেনিয়া সফর শুরু করেছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভস) স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। আজারবাইজানের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও ‍যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর তিন দিনের এ সফর শুরু করেছেন তিনি। খবর আল-জাজিরার।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক বিশেষ বিমানে আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। বিমানবন্দরে মার্কিন এ রাজনীতিককে স্বাগত জানান আর্মেনিয়ার পার্লামেন্ট স্পিকার অ্যালেন সিমোনিয়ান।

আজারবাইজানের সঙ্গে আর্মেনিয়ার সংঘর্ষের পর দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা পেলোসির এ সফরকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। দেশটিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ সফরে আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের সঙ্গে বৈঠক হবে স্পিকার পেলোসির।

সফরে পেলোসির সঙ্গে একটি প্রতিনিধিদলও রয়েছে। এর মধ্যে সিনেটর ও হাউস এনার্জি অ্যান্ড কমার্স কমিটির চেয়ারম্যান ফ্রাঙ্ক প্যালোন এবং কংগ্রেস সদস্য জ্যাকি স্পিয়ার ও আনা এশু রয়েছেন। আর্মেনিয়ার স্পিকার অ্যালেন সিমোনিয়ান বলেছেন, ‘পেলোসির এ সফর আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি বড় ভূমিকা পালন করবে।’

আরও পড়ুন: আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘর্ষে নিহত ২১২

বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে গত মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। এতে উভয় পক্ষের দুই শতাধিক সেনা নিহত হয়। তিন দিন পর একটি যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায় উভয় পক্ষ। যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছালেও দুই দেশের মধ্যে এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের এ সংঘাতের নেপথ্যে রয়েছে নাগারনো-কারাবাখ অঞ্চল। আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সীমানা অনুযায়ী অঞ্চলটি নিঃসন্দেহে আজারবাইজানের অংশ। তবে সেখানকার বাসিন্দারা জাতিগতভাবে আর্মেনীয়। ১৯৯৪ সালে যুদ্ধের পর অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়দের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতি ঘোষণা আর্মেনিয়ার

২০২০ সালের যুদ্ধে অঞ্চলটি ফের দখলে নেয় আজারি সেনারা। ছয় সপ্তাহের ওই যুদ্ধে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারায়। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী নাগোরনো-কারাবাখে দুই হাজার রুশ শান্তিরক্ষী মোতায়েন রয়েছে। আর্মেনীয় কর্মকর্তাদের মতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যস্থতায় বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also
Close
Back to top button
error: Content is protected !!