খুঁড়িয়ে চলছে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল
<![CDATA[
লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলার ১৬ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবায় একমাত্র ভরসার স্থল লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল। চিকিৎসক জনবল সংকট আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব আর অব্যবস্থাপনায় হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।
জানা গেছে, হাসপাতালটিতে ৩৯ চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও আছেন কার্ডিওলজি, নাক কান গলা, সিনিয়র গাইনি কনসালটেন্ট, আই কনসালটেন্ট, সিনিয়র শিশু বিশেষজ্ঞসহ ১৯ চিকিৎসক। রয়েছে আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব। সেই পুরনো এক্সরে আর আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন দিয়ে চলছে কাজ। এতে ভালো ফলাফল না আসায় বাইরে করতে হচ্ছে এসব কাজ। শয্যা স্বল্পতার কারণে অনেকেই মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছে। এছাড়া এক্সট্রা শয্যার এ রোগীদের ভাগ্যে মিলে না খাবার। সব বিভাগের চিকিৎসক না থাকায় বাইরের কোনো ক্লিনিক কিংবা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হয়।
এছাড়া আউট সোর্সিংয়ের ২০টি পদেই নেই কোনো কর্মচারী। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন জেলার মানুষ।
চিকিৎসা সংকটসহ প্রয়োজনীয় জন সংকটের কথা স্বীকার করলেও স্বাস্থ্যসেবা কবে নাগাদ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়ে উঠবে সে বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো উত্তর দিতে পারেননি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. রমজান আলী।
আরও পড়ুন: বান্দরবান সদর হাসপাতাল: জনবল সংকট ও অব্যবস্থাপনায় মিলছে না চিকিৎসাসেবা
এসব বিষয়ে লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন ডা. নির্মুলেন্দু রায় কোনো ধরনের তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
তবে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর সময় সংবাদকে জানান, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি খুবই জরুরি। প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, জনবল ও আধুনিক যন্ত্রপাতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং দ্রুতই এসব সমস্যার সমাধান হবে।
১৯৬৪ সালে ১০ শয্যা ও পরে ধাপে ধাপে ২০০৫ সালে হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়।
]]>




