বাংলাদেশ

বিয়ের দাবিতে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর অনশন

<![CDATA[

রংপুরের মিঠাপুকুরে বিয়ের দাবিতে রওশন নামে এক যুবকের বাড়িতে অনশন করছে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মেয়েটির দাবি, প্রায় দুই মাস আগে ওই রওশনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের আশ্বাসে প্রায়ই তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন তিনি।

স্কুলছাত্রী ও তার পরিবারের দাবি, মিঠাপুকুর উপজেলার ৯নং ময়েনপুর ইউনিয়নের ময়েনপুর গাছুয়া পাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে সেনা সদস্য মো. রওশন আলীর সঙ্গে পাশের বদরগঞ্জ উপজেলার অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীর (১৩) দুই মাস আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নাবালিকা মেয়েকে বিয়ে করার আশ্বাসে মেয়ের বাবার বাড়িতে রওশন প্রায়ই যাতায়াত করতেন। তারা অনৈতিক সম্পর্কেও মিলিত হয়েছে। 

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রওশনের বিয়ে অন্য কোথাও হচ্ছে এমন খবর পেয়ে মেয়েটি তার ফুফু এবং নানীকে নিয়ে রওশনের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে। রওশন এবং তার বাবা-মা বাড়িতে না থাকায় তাদের বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে। ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় রওশন ও তার বাবা-মা। যদিও এলাকাবাসী বলছে, এরইমধ্যে রওশনের অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে বিয়ের কাবিননামা সম্পূর্ণ হয়েছে। শুধু বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বাকি।

আরও পড়ুন: বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন

রওশনের বাড়িতে মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে ইউপি চেয়ারম্যান মকছেদুল আলম মুকুল এবং ইউপি-সদস্য শাহ মোহাম্মদ জুলফিকার আলম রিকু ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েকে বোঝানোর চেষ্টা করে এবং মেয়ের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে মেয়েকে তার নিজ জিম্মায় নেয়ার অনুরোধ জানান।

কিন্তু মেয়েকে তার বাবা বাড়ি ফিরে যেতে বললে মেয়েটি বলে, ‘রওশনের সঙ্গে বিয়ে না হলে এই বাড়ি থেকে আমার লাশ যাবে।’

আরও পড়ুন: বিয়ের দাবিতে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে অনশনে কলেজছাত্রী

রওশনের বাবা-মা বাড়িতে না থাকায় কোনো রকমের সিদ্ধান্ত ছাড়াই চেয়ারম্যান এবং ইউপি সদস্যসহ স্থানীয়রা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

মোবাইল ফোনে অভিযুক্ত সেনা সদস্য রওশন সময় সংবাদকে বলেন, ‘আমার বাবা ওই মেয়ে বাড়িতে আসায় আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মেয়েটির সঙ্গে আমার তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। ঘটক একদিন মেয়েটিকে দেখতে তাদের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিল। মাঝেমধ্যে একটু ফোনে কথা হতো।’

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!