স্ত্রী তালাক দেয়ায় ঘটককে কুপিয়ে মারলেন যুবক!
<![CDATA[
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আব্দুল জলিল (৫০) নামের স্থানীয় এক ঘটককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। স্ত্রী তালাক দিয়ে বাবার বাড়ি চলে যাওয়ায় আলমাস (২০) নামে এক যুবক এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার মানাজি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আলমাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
খুন হওয়া আব্দুল জলিল উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের মানাজি গ্রামের আহসান আলীর ছেলে। খুনের দায়ে অভিযুক্ত আলমাস একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, আলমাস চার বছর আগে ঘাটাইল উপজেলার পেচারআটা গ্রামের ডলি আক্তার নামে এক মেয়েকে বিয়ে করেন। ওই বিয়ের ঘটক ছিলেন আব্দুল জলিল। তাদের সংসারে দুই বছরের এক কন্যা শিশু রয়েছে। কিছুটা ভারসাম্যহীন থাকায় বছর খানেক আগে আলমাসের স্ত্রী তাকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান। বিবাহ বিচ্ছেদের পর স্ত্রীকে ফিরিয়ে এনে দেয়ার জন্য বিভিন্ন সময় জলিলকে চাপ দিতেন আলমাস। এ নিয়ে ঘটক জলিলের ওপর সে ক্ষুদ্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার ঘটনার সময় জলিল আলমাসদের ঘরে বসে তার দাদী রাহাতনের সঙ্গে গল্প করছিলেন। এ সময় ঘরে প্রবেশ করেন আলমাস। কিছু বুঝে উঠার আগেই তার দাদীর সামনেই দা দিয়ে মাথায় ও ঘারে এলোপাতারি কোপ দেন আলমাস। এতে ঘটনাস্থলেই জলিলের মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই ঘাতক আলমাস দৌড়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ জলিলের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বাড়ির অন্যরা পলাতক রয়েছেন।
আরও পড়ুন: এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রোহিঙ্গা যুবককে হত্যা
অভিযুক্ত আলমাসকে গ্রেফতার ও স্বামী হত্যার বিচার চেয়েছেন নিহত জলিলের স্ত্রী হামিদা।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা সত্য। স্ত্রী তালাক দিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনার আক্রোশ থেকে আলমাস এ ঘটনা ঘটাতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
]]>




