আরও একটি ফ্লাইওভার পাচ্ছে চট্টগ্রামবাসী
<![CDATA[
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে নির্মিত হতে যাচ্ছে আরও একটি ফ্লাইওভার। শহরমুখী চাপ কমানো এবং মেরিন ড্রাইভের বিকল্প হিসেবে শাহ-আমানত সেতু থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত ২ দশমিক ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভারটি করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।
অনেকটা উন্নত বিশ্বের আদলে নির্মিত একের পর এক ফ্লাইওভার পাল্টে দিচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রথম দিকে যানজট নিরসনসহ নানা সুবিধা নিয়ে সমালোচনা থাকলেও চালুর পর সুফল মিলছে নগরবাসীর।
জানা গেছে, আগের ফ্লাইওভারের সুবিধা কাজে লাগিয়ে এবার শাহ আমানত সেতুর পশ্চিম অংশ থেকে কর্ণফুলী পাড়ঘেঁষে ফিরিঙ্গিবাজার হয়ে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত নির্মিত হচ্ছে আরেকটি ফ্লাইওভার। দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে শহরমুখী মানুষের চাপ কমাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মেরিন ড্রাইভের বিকল্প হিসেবে এ উড়ালসড়কটি করার পরিকল্পনা করছে সিডিএ। সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করেই দ্রুত ডিপিপি তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
আরও পড়ুন: হাওড়ে সেতু, উড়াল সড়ক, কালভার্ট নির্মাণের নির্দেশ
সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, যেটি থাকায় বন্দরের জায়গাগুলো আমরা পাব না। ফ্লাইওভার করে আমরা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করে দেব। তাহলে শাহ আমানত সেতু হয়ে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল থেকে যে ভারী গাড়িগুলো আসছে, ফিরিঙ্গি বাজার, নিউমার্কেট হয়ে শহরের মধ্যে ঢুকছে, এগুলো আর ঢুকবে না। এগুলো ফ্লাইওভার দিয়ে তখন বন্দরে ঢুকতে পারবে।
ফ্লাইওভারের সুফল পেতে হলে তড়িঘড়ি না করে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করেই এগুনোর পরামর্শ নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি আশিক ইমরানের। তিনি বলেন, তাড়াহুড়ো না করে সঠিকভাবে পরিকল্পনা করা হোক। পরামর্শক নিয়োগ দেয়া হোক এবং সুষ্ঠু একটা পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হোক।
চট্টগ্রাম নগরীর মাস্টারপ্ল্যানে শহরের চারদিকে মেরিন ড্রাইভ হওয়ার কথা। কিন্তু বন্দরের জেটিসহ সরকারি-বেসরকারি নানা স্থাপনার বাধার কারণে এ অংশে করা যাচ্ছিল না। এবার বন্দরের সম্মতিতে স্থাপনার ওপরেই হচ্ছে উড়ালসড়ক।
আরও পড়ুন: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনীতে ৬ লেনের ফ্লাইওভার নির্মাণের সিদ্ধান্ত
তবে বিশ্ব মন্দার এ সময়ে ব্যয়বহুল ফ্লাইওভার না করে সড়ক করার পরামর্শ প্রথম মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন কমিটির সদস্য প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারের।
তিনি বলেন, এটা খুবই প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা। এমনকি এটা ১৯৯৫ সালের মাস্টারপ্ল্যানেও ছিল। আগামী মাস্টারপ্ল্যানেও এটা থাকবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে এটি উচ্চ ব্যায়ের ফ্লাইওভার না করে যদি সমতল দিয়ে টানা যায় তা হবে সবচেয়ে উত্তম ব্যবস্থাপনা।
ফ্লাইওভারটি বারিক বিল্ডিং মোড়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ওঠানামার জন্য হবে একটি র্যাম্প। মাঝখানে আরেকটি র্যাম্প হবে সদরঘাটে।
]]>




