জটিলতা কাটিয়ে চলছে হবিগঞ্জের বাল্লা স্থলবন্দরের নির্মাণকাজ
<![CDATA[
হবিগঞ্জে দীর্ঘদিনের ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা কাটিয়ে বাল্লা স্থলবন্দরের নির্মাণকাজ চলছে। বন্দরটি চালু হলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়বে। পাশাপাশি সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থান। তবে এখনো ভারতীয় অংশের নির্মাণকাজ শুরু না হওয়ায় স্থলবন্দরটি যথাসময়ে চালু নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ত্রিপুরায় অনুষ্ঠিত সীমান্ত সম্মেলনে হবিগঞ্জে একটি পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত-বাংলাদেশ সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় চুনারুঘাটের কেদারাকোট এলাকায় ১৩ একর জমির ওপর ৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাল্লা স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সরকার।
২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সরেজমিন পরিদর্শন করে নির্মাণকাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। প্রাথমিকভাবে ৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।
কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় দীর্ঘদিন আটকে থেকে ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর বন্দর নির্মাণকাজ শুরু হয়। উভয় দেশের নির্মাণকাজ সমানভাবে এগিয়ে গেলে ২০২৪ সালের মধ্যেই বন্দর চালুর ব্যাপারে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন: ভারত থেকে আমদানি বাড়লেও পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী
এ বিষয়ে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান বলেন, বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ হয়ে গেছে। এছাড়া ভেতরে বেশ কিছু অবকাঠামো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। আমরা আশা করছি, বেশ তাড়াতাড়ি নির্মাণকাজ শেষ হবে।
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট গাজিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি বিশ্বাস করে যদি এ স্থলবন্দরের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়, তাহলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়বে। সেই সঙ্গে এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থারও উন্নয়ন ঘটবে।
তবে ভারতীয় অংশের নির্মাণকাজ এখনও শুরু না হওয়ায় যথাসময়ে স্থলবন্দরটি চালুর ব্যাপারে শঙ্কাও রয়েছে।
এ দিকে স্থলবন্দরটি যথাসময়ে চালু হলে এলাকায় নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে স্থানীয়রা উপকৃত হবেন। এবিষয়ে তারা বলেন, এখানে স্থলবন্দরের কাজ তাড়াতাড়ি শেষ হলে, এলাকার ছেলেরা বেকার থাকবে না। তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৫১ সালে বাল্লা শুল্ক স্টেশন চালু হলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সীমিত পরিসরে ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু হয়।
]]>




