চাচাকে শিক্ষা দিতেই চাচাতো ভাইকে গলাকেটে হত্যা!
<![CDATA[
কিশোরগঞ্জ শহরের উকিলপাড়ায় চাঞ্চল্যকর কলেজছাত্র রাহাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি জোবায়ের হাসানকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ সংবাদ সম্মেলনে জোবায়ের হাসানকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানান।
মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি থেকে কিশোরগঞ্জ থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
এর আগে, একই মামলায় জোবায়ের হাসানের বাবা শহিদুল হক খন্দকার, মা মাহমুদা আক্তার ও বোন আরিফা সুলতানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার জানান, নিহত আবিদ হাসান রাহাত গ্রেফতারকৃত জোবায়ের হাসানের চাচাতো ভাই। পারিবারিক বিরোধের জেরে রাহাতের বাবাকে কষ্ট দিতেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।
আরও পড়ুন: দিনদুপুরে স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা
নিহত আবিদ হাসান রাসেল ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার রাজগাতি গ্রামের এ বি এম আনোয়ারুল হকের ছেলে। আর জোবায়ের হাসান একই এলাকার শহিদুল হক খন্দকারের ছেলে। রাহাত ও জোবায়ের কিশোরগঞ্জ শহরে আলাদা বাসায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ জানায়, আবিদ হাসান তার বাবাকে গ্রামের বাড়িতে জমি বিক্রি করে শহরে বাসা করে দেয়ার জন্য চাপ দিতেন। কিন্তু তার বাবাকে শহরে বাসা করে দিতে নিরুৎসাহিত করতো তার চাচা আনোয়ারুল হক ও চাচাতো ভাই রাহাত। এতে চাচা ও চাচাতো ভাইয়েও ওপর ক্ষিপ্ত হন জোবায়ের হাসান। এ ক্ষোভ থেকেই চাচাকে শিক্ষা দিতে পরিকল্পিতভাবে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায় বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেন জোবায়ের হাসান।
আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে কলেজছাত্রকে গলা কেটে হত্যা
গত ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ শহরের উকিলপাড়া নীলগঞ্জ রোডে জোবায়ের হাসানের বড় বোনের বাসায় প্রাইভেট পড়াতে যান গুরুদয়াল কলেজের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আবিদ হাসান রাহাত। এ সময় তার চাচাতো ভাই জোবায়ের হাসান সেখানে গিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত ও গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় রাহাতের মা বাদী হয়ে পরদিন জোবায়ের হাসানসহ তার বাবা শহিদুল হক খন্দকার, মা মাহমুদা আক্তার ও বোন আরিফা সুলতানাকে আসামি করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ অপর তিন আসামিকে গ্রেফতার করে।
]]>




