অবৈধ বালু উত্তোলনে ভিটেমাটি হারাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ
<![CDATA[
ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিশখালীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। নদীর তীর ভেঙে বিলীন হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিটেমাটি।
প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানেও থামছে না বালু উত্তোলন। তবে, আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস জেলা প্রশাসনের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝালকাঠির বিশখালী নদীর কাঁঠালিয়া উপজেলা থেকে ৭০ কিলোমিটার নদীপথে বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। শত শত বাল্কহেড দিয়ে বালু বিক্রি করা হচ্ছে অন্যত্র।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বালু তোলার কারণে দুপাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে বেশ কয়েকটি ফসলি জমি ও বসতবাড়ি। হুমকিতে আছে শতাধিক বাড়িঘর। একই অবস্থা সুগন্ধা নদীরও।
আরও পড়ুন: বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু
এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলেননি কোনো বালু ব্যবসায়ী। তবে, ড্রেজারের কর্মচারীরা জানান, জেলার সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে চাহিদা থাকায় বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
ঝালকাঠিতে কোনো বালুমহাল না থাকায় বালু উত্তোলনের সুযোগ নেই। অবৈধভাবে বালুকারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী।
তিনি বলেন, এখানে বালুমহাল করার মতো কোনো জায়গা নেই। আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এছাড়া আমরা কার্যক্রম জোরদার করবো যেন রাতে কেউ বালু উত্তোলন করতে না পারে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন একসঙ্গে অন্তত ৪০টি ড্রেজার দিয়ে ঝালকাঠির বিভিন্ন নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
]]>




