স্বাগতিকদেরই ফেবারিট মানছেন সাবেক ক্রিকেটাররা
<![CDATA[
তাসমান সাগরের পারে ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্ব আসর। ১৬টি দলের ৪৫টি ম্যাচের ক্রিকেটীয় যুদ্ধশেষে মিলবে বিজয়ী দলের দেখা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে একের পর এক আয়োজনে উৎসবের শহর এখন অস্ট্রেলিয়া। সদস্য দেশগুলো ভ্রমণ শেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ট্রফিও পৌঁছে গেছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ায়। বিশ্বকাপের আগপর্যন্ত ঘুরে বেড়াবে দেশটির ১৬ শহরে।
বিশ্বকাপের আগে চলছে নানা হিসাব নিকাশ। কে জিতবে এবারের আসর। অস্ট্রেলিয়া কি পারবে এক বছরের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মত সেরার মুকুট পড়তে। দেশটির সাবেক ক্রিকেটার মাইকেল বেভানের বাজির ঘোরাও অজিদের দিকে। এ যাত্রায় মেধাবী ক্রিকেটারের আধিক্যকেই বড় শক্তি মনে করেন তিনি। তবে, বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের পাশাপাশি ভারত ও ইংল্যান্ডকেও এগিয়ে রাখছেন ৫২ বছর বয়সী সাবেক এই বাঁ-হাতি ক্রিকেটার।
আরও পড়ুন: টি-টোয়েন্টির পর ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামছে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা
সাবেক অজি ক্রিকেটার মাইকেল বেভান বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া নিজেদের মাটিতে খেলবে। হোম অ্যাডভান্টেজ থাকবে তাদের সঙ্গে। এ মুহূর্তে দলে মেধাবী ক্রিকেটারের সংখ্যা বেশি। তারা যে কোন সময় ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন মাঠে করতে পারলে আমি অস্ট্রেলিয়ার শিরোপা জয়ের সম্ভাবনাই বেশি দেখছি। তবে, ভারতও দুর্দান্ত ফর্মে আছে। বিরাট কোহলি ছন্দে ফেরায় ওদেরও সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ইংল্যান্ডকেও বাদ দেয়া যাচ্ছে না।’
এদিকে স্বাগতিক হিসেবে অস্ট্রেলিয়াকে কিছুটা ফেবারিট মানছেন শ্রীলঙ্কান সাবেক ব্যাটসম্যান রাসেল আরনল্ডও। তবে, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের সমান সম্ভাবনা রয়েছে বিশ্বকাপ জয়ের। এমনটাই মত আরনল্ডের।
শ্রীলঙ্কা সাবেক ক্রিকেটার রাসেল আরনল্ড বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ফেবারিট। তবে, আমার কাছে ভারত, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকাকেও শিরোপার দাবিদার মনে হচ্ছে। পাকিস্তান চমৎকার খেলছে এখন। ইংল্যান্ডও মাত্রই পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে। তাই এই দলগুলোও বিশ্বকাপে বদলে দিতে যে কোন কিছুই।’
আরও পড়ুন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেটশিকারি
১৩ নভেম্বর শেষ হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
]]>




