বাংলাদেশ

‘ভারত জোড়ো যাত্রা’য় যোগ দিলেন সোনিয়া

<![CDATA[

ভারতে বিরোধী দল কংগ্রেসের রাজনৈতিক কর্মসূচি ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’য় এবার যোগ দিলেন দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) সকালে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের মান্ডিয়া জেলায় দলের অন্যতম নেতা ছেলে রাহুলের সঙ্গে যোগ দেন তিনি। এ সময় তাদের সঙ্গে হাঁটায় অংশ নেন রাজ্য কংগ্রেসের নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার মানুষ।

গত ৭ সেপ্টেম্বর তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী থেকে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ যাত্রা বিজেপি শাসিত কর্নাটকে এসে পৌঁছায়। যাত্রার এক মাসের মাথায় বৃহস্পতিবার এতে যোগ দেন সোনিয়া গান্ধী। এরপর মাকে নিয়েই পদব্রজে রওয়ানা হন ছেলে রাহুল।

কংগ্রেস ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরোনো রাজনৈতিক দল। কিন্তু হিন্দুত্ববাদকে পুঁজি করে রাজনীতি করা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে ভোটের রাজনীতিতে গত এক দশক ধরে ধরাশায়ী হয়েছে দলটি। এমন প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন সামনে রেখে দলের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত ভারত জোড়ো যাত্রা নামে এ কর্মসূচি গ্রহণ করে কংগ্রেস।

আরও পড়ুন: তুষারধসে প্রাণ হারালেন এভারেস্টজয়ী সবিতা

চলতি বছরের মে মাসের মাঝামাঝি রাজস্থানের উদয়পুরে কংগ্রেস শীর্ষস্থানীয় নেতাদের তিন দিনব্যাপী সম্মেলনে এ কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সে সময় কংগ্রেস জানায়, এ কর্মসূচির সঙ্গে কোনো নির্বাচনের যোগ নেই। দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতেই এ যাত্রা। এরপর ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টায় তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারীতে একটি সমাবেশের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দলের শীর্ষ নেতারা।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন মতে, স্বাস্থ্যগত কারণে যাত্রা থেকে দূরে ছিলেন সোনিয়া গান্ধী। চলতি বছরই দুইবার করোনা আক্রান্ত হন তিনি। চিকিৎসার জন্য কিছুদিন হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন। তবে এবার স্বাস্থ্যের সমস্যা কাটিয়ে ছেলের সঙ্গে পদযাত্রায় যোগ দিলেন তিনি।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, এই যাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য সোনিয়া গত সোমবার রাতে মাইশুরু (সাবেক মহিশূর) পৌঁছান। দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর জন্য মঙ্গলবার ও বুধবার যাত্রার বিরতি ছিল। মা-ছেলের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে যাত্রা। কর্ণাটকে এই যাত্রা চলবে সবচেয়ে বেশি। ২১ দিন। মোট সাড়ে ৫ মাস ধরে ১২ রাজ্যের ৩ হাজার ৫৭০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে এই যাত্রা শেষ হবে কাশ্মীরে গিয়ে।

আরও পড়ুন: মুকেশ আম্বানির পরিবারকে হত্যার হুমকি দিয়ে ফোন

এর আগে ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মাইশুরুতে এক জনসভায়ও যোগ দেন সোনিয়া। সভায় তিনি বলেন, বিজেপি দেশকে বিভিন্নভাগে বিভক্ত করে চলেছে। কংগ্রেসের উদ্দেশ্য তা রুখে দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখা ও বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির বিপদ মানুষকে বোঝানো। ১৯৯৯ সালে কর্ণাটকের বেলারি কেন্দ্র থেকে নিজের প্রথম লোকসভা ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। সেবার বিজেপির নেত্রী সুষমা স্বরাজকে হারিয়ে দেন তিনি।

 

 

 

 

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!