স্বচ্ছ নীল জলরাশিতে খেলা করছে ডিঙি নৌকা
<![CDATA[
দীর্ঘ ৬ মাস ধরে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পড়েনি পর্যটকের পা। হাজার হাজার মানুষের পদচারণা না থাকায় নবরূপে সেজেছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। দ্বীপের চারদিকে স্বচ্ছ নীল জলরাশি, কাশবনের সবুজ সমারোহ ও প্রবাল পাথরে ঢেউয়ের উঁকি মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে। পর্যটন মৌসুমের শুরুতে সেন্টমার্টিনে এমন দৃশ্য দেখে মুগ্ধ ভ্রমণপিপাসুরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চারদিকে নীল আর নীল, স্বচ্ছ নীল জলরাশিতে খেলা করছে ডিঙি নৌকা। যেমন সাগরে নেই ঢেউয়ের গর্জন, তেমনি নেই মানুষের কোলাহল। আর ঢেউয়ের মাঝে উঁকি দিচ্ছে প্রবাল পাথর। বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের একমাত্র দ্বীপ সেন্টমার্টিন সেজেছে এমন নবরূপে।
এ ছাড়া নারিকেল জিঞ্জিরা মানে অবকাশযাপনের অন্যতম স্থান, যা উপভোগে প্রতিবছর পর্যটন মৌসুমে পর্যটকরা ছুটে আসেন নীল জলরাশি ঘেরা প্রবাল পাথরের দ্বীপে। প্রাচীরে আছড়ে পড়ছে সমুদ্রের নীল জলরাশি। আর এই জলরাশিতে সমুদ্রস্নানে মেতেছেন ভ্রমণপিপাসুরা। একই সঙ্গে প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য বন্দি করছেন ক্যামেরার ফ্রেমে। আর সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন তারা।
আরও পড়ুন: সেন্টমার্টিনে মৌসুমের প্রথম যাত্রায় পর্যটক ৭৫০
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মুজিবুর রহমান বলেন, প্রতিটি হোটেলে নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা থাকছে। এখানে যেন কোনো ধরনের অপরাধ ঘটতে না পারে সেটাও দেখা হচ্ছে।
সি ক্রুজ অপারেটরস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, আশা করছি; দ্রুত সময়ের মধ্যে কক্সবাজার থেকে আরও কয়েকটি জাহাজ আমরা দেখতে পারব। এ ছাড়া পাশাপাশি বে-১ তো (জাহাজ) সরাসরি যাবেই।
পর্যটন মৌসুমে প্রতিবছর ১০টি জাহাজ চলাচল করলেও এ বছর বঙ্গোপসাগর হয়ে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে মাত্র একটি জাহাজ চলাচল করছে।
]]>




