যুক্তরাজ্যে জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধি, সঙ্কটের আশঙ্কা
<![CDATA[
বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো ‘দি অর্গানাইজেশন অব দি পেট্রোলিয়াম কান্ট্রিস’ ওপেক এবং বাইরে অন্যান্য তেল উৎপাদনকারী দেশ ও ওপেকের সদস্যদের একত্রে ওপেক প্লাস রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের মধ্যেই তেলের উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বুধবার (৫ অক্টোবর) অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ওপেকের প্রধান কার্যালয়ে এক বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ২০ লাখ ব্যারেল তেলের উৎপাদন কমানো হবে। এ ছাড়া জ্বালানি তেলের রফতানি কমানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছে সদস্য দেশগুলো।
এদিকে যুক্তরাজ্যের সংবাদ মাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের ভাষ্য অনুযায়ী ওপেকের প্লাসের ‘বিতর্কিত’ সিদ্ধান্তের পরে তিন মাসের মধ্যে বেড়ে গেছে যুক্তরাজ্যের জ্বালানী তেলের দাম। আর এতে পুরো দেশটিতে বেড়েছে জীবন যাত্রার ব্যয়। যুক্তরাজ্যের মোটর অর্গাজানাইজেশন ‘এএ’ জানিয়েছে এ বছরের জুলাইয়ের শুরু থেকে গ্রীষ্ম জুড়ে জ্বালানী তেলের দাম কম ছিল।
তবে অক্টোবরের শুরুতেই ওপেক প্লাসের বৈঠকের পর চিত্র পুরো পালটে যায়। এ সপ্তাহের শুরুতেই পেট্রোলের গড় দাম হাফ পেনি যুক্ত হয়েছে। এছাড়া ডিজেলের দাম আবারও বাড়তে শুরু করেছে। ‘এএ’-পরিসংখ্যান অনুসারে সপ্তাহের আগে পেট্রোলের লিটারে ১৬২ দশমিক ৩২ পাউন্ড ছিল। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬২ দশমিক ৭৮ পাউন্ড।
আরও পড়ুন: রাশিয়ার-তেল-কিনতে-কেউ-নিষেধ-করেনি-ভারত
আর ডিজেলের দাম অন্তত ২ দশমিক ১৭ পাউন্ড বেড়েছে। ‘এএ’-এর মুখপাত্র লুক বোসডেট জানান, জুলাইয়ের শুরুতে, পাম্পে পেট্রোলের দাম রেকর্ড বৃদ্ধি পেয়েছিল৷ যদিও আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরে কমেছে। গ্রীষ্ম জুড়ে গারি চালকরা জ্বালানী তেলের মূল্যের দরপতন দেখেছে। তবে এবার আবার বৃদ্ধি শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থাকা স্বত্বেও ওপেক প্লাস ২ মিলিয়ন ব্যারেল জ্বালানী তেল উৎপাদন কমাতে সম্মত হয়। যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানী তেল সরবরাহের ২ শতাংশের সমান। এদিকে ‘এএ’ জানিয়েছে সাম্প্রতিক দিনগুলিতে গড় পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম বৃদ্ধি গ্রাহকদের উপর চাপ সৃষ্টি করবে।
দ্য গার্ডিয়ান বলছে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি শুধুমাত্র যুক্তরাজ্যের চালকদের জন্যই একটি ধাক্কা নয় যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নাগরিকদের জ্বালানী খরচ বৃদ্ধিসহ পারিবারিক বাজেটের উপর চাপ সৃষ্টি করবে।
]]>




