কাতারে বিশ্বকাপ খেলছে বাংলাদেশও!
<![CDATA[
কাতারে পর্দা উঠল পথশিশুদের বিশ্বকাপ। বিশ্বের ২৫টি দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পদচারণায় মুখরিত কাতারের দোহা। এই বিশ্ব আসরে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করছেন বাংলাদেশের পথশিশুরাও। বিশ্বের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আত্মপরিচয়ে গড়ে তুলতেই এমন আয়োজন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। বিশ্বকাপের মতো স্বপ্নের মঞ্চে নিজ দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণকারী পথশিশুরা।
ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর আগেই কাতারের দোহায় শুরু হলো পথশিশুদের বিশ্বআসর। বিশ্বের ২৫টি দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে চতুর্থবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে ব্যতিক্রমধর্মী এই বিশ্বকাপ। ইউকে চ্যারিটি স্ট্রিট চাইল্ড ইউনাইটেডের আয়োজনে ও কাতার ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের আসর। এই বিশ্বআসরে খেলছে বাংলাদেশও। দোহায় লাল-সবুজ পতাকা হাতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন সাথি-ফিরোজারা।
বিশ্বের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আত্মপরিচয়ে গড়ে তুলতেই এমন আয়োজন।’
আরও পড়ুন:কাতারের স্পোর্টস মিউজিয়ামে ১৯৩০ বিশ্বকাপের জার্সি
স্ট্রিট চাইল্ড ইউনাইটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জন রো বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল পুরো বিশ্বকে একত্র করে। এমন মঞ্চে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা খেললে তারা বাড়তি নজর পায়। এই আসর তাদের নতুন পরিচয়ে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। নিজ নিজ দেশের মানুষ এই পথশিশুদের নিয়ে গর্বিত হবে। আমাদের কাছে এটা খেলার চেয়েও বড় কিছু। এই বিশ্বকাপ আনন্দের বিশ্বকাপ, এই বিশ্বকাপ শান্তির বার্তা বয়ে আনার বিশ্বকাপ।’
বিশ্বকাপের মতো স্বপ্নের মঞ্চে নিজ দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণকারী পথশিশুরা।
কাতারের পথশিশু দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ আল আমারি বলেন, ‘আমাদের মতো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এটা বিশাল সুযোগ। অনেক শিশু আছে যারা মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। এমন আয়োজনের মধ্য দিয়ে তারা নিজেদের প্রয়োজন বিশ্ববাসীকে জানাতে পারে।’
আরও পড়ুন:বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি রূপ নিল পাথরে
ইংল্যান্ড পথশিশু দলের অধিনায়ক মাইকেল টাসকার বলেন, ‘ এটা আমাদের জন্য সত্যি আনন্দের। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমরা খেলতে পারব। আমি কখনো ভাবিনি যে এত বড় মঞ্চে আমি কখনো খেলব। আমার স্বপ্নপূরণ হয়েছে।’
এবারের আসরে ১৫টি পুরুষ ও ১৩টি নারী পথশিশু দল অংশগ্রহণ করেছে। যার মধ্যে ১০টি দল গড়া হয়েছে বাস্তুচ্যুত শিশুদের নিয়ে।
]]>




