সৈয়দপুরে রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত
<![CDATA[
নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ভূসম্পত্তি উদ্ধার অভিযানে পাঁচ একর জমি উদ্ধার করাসহ ৮২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সিলগালা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ উদ্ধার করা জমিতে সীমানা নির্ধারণী লাল পতাকা স্থাপন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সৈয়দপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল রাজশাহীর ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা ও বিভাগীয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামান।
অভিযানে তার সঙ্গে ছিলেন সৈয়দপুর রেলওয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রকল্প/কারখানা) আহসান উদ্দিন, ভূসম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ অফিসের সহকারী প্রকৌশলী (আইওডব্লিউ) আশরাফুল ইসলাম, পার্বতীপুর ফিল্ড কানুনগো অফিসের জিয়াউল হক। এ সময় তাদের সহযোগিতা করেন সৈয়দপুর থানা পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) রিজার্ভ ফোর্স।
অভিযানে শহরের বাঙ্গালীপুর এলাকায় বিসিক শিল্পনগরী ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড অফিসের সামনের আলোচিত শেখ সাদ কমপ্লেক্সসহ আশপাশের প্রায় পাঁচ একর জমি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ওই কমপ্লেক্স ও আরও কিছু স্থাপনা সিলগালা করা হয়।
আরও পড়ুন: কক্সবাজার কটেজ জোনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু
এ ছাড়া অবৈধ দখলদার সাইফুল ইসলামকে ১০ হাজার, সাইদুর রহমানকে সাড়ে ১১ হাজার, মাহবুবুর রহমানের, আখতার হোসেন ও শহিদুল ইসলামকে ১৫ হাজার করে, ওয়ালটন শোরুমকে ৩০ হাজার এবং মুন্সিপাড়ায় সরকারির কাজে বাধা দেয়ায় আনিছুর রহমানকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরে শহরের প্রাণকেন্দ্রে তামান্না সিনেমা হল সিলগালা করতে গেলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এ সময় পৌর মেয়র রাফিকা আকতার জাহান ও কাউন্সিলররা উপস্থিত হয়ে উচ্ছেদ বন্ধের অনুরোধ জানান।
এতে ম্যাজিস্ট্রেট সম্মত না হওয়ায় মেয়র বলেন, ‘সৈয়দপুরবাসীর কোনো স্থাপনায় বুলডোজার চালানোর আগে আমার ওপর দিয়ে যেতে হবে।’ এতে উপস্থিত জনগণের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ফলে বাধ্য হয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অভিযান স্থগিত করে।
]]>




