কাতারের দালানকোঠায় শোভা পাচ্ছে ফুটবলারদের ছবি
<![CDATA[
বিশ্বকাপ উন্মাদনায় মেতে ওঠার অপেক্ষায় কাতার। ফুটবল বিশ্বকাপের ৯২ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো মুসলিম দেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল। এ উপলক্ষে কাতারের রাজধানী দোহা সেজেছে নতুন সাজে। দেশটির বড় ইমারত ও দালানকোঠায় শোভা পাচ্ছে বিশ্বের তারকা ফুটবলারদের ছবি।
ফুটবল বিশ্বকাপ সামনে রেখে এমন আয়োজন দেখে উচ্ছ্বসিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। ইতিহাসের সাক্ষী প্রস্তুত কাতারের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
তারা বলছেন, ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপের আমেজ কাতারে শুরু হয়ে গেছে। ফুটবল তারকাদের বড় বড় ছবি দেখা যাচ্ছে। অসংখ্য লোকজন সেগুলো দেখতে আসছেন। এ আমেজ সত্যিই খুব আনন্দের।
শুধু এক ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে দেশটির ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ৮টি স্টেডিয়াম। ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনে কোনো কিছুর কমতি রাখেনি আয়োজক দেশটি। আগামী ২০ নভেম্বর কাতার বনাম ইকুয়েডর ম্যাচের মধ্যে দিয়ে পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের।
এদিকে কাতারে বিশ্বকাপের অবকাঠামো নির্মাণকালে আহত অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিপূরণ তহবিল চালু করছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত কাতারের শ্রমিক অধিকারবিষয়ক ইউরোপীয় এক কাউন্সিলে ফিফার সহসাধারণ সম্পাদক আলাসদাইর বেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বিশ্বকাপ শুরুর দুই মাসেরও কম সময় বাকি থাকতে ফিফার এমন ঘোষণা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
আরও পড়ুন: ব্রাজিল তারকার বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে চুরমার
আলাসদাইর বেল বলেন, বিশ্বকাপের কাজ করার সময় যারাই চোট পেয়েছেন, তাদের দেখভাল করাটা গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাপারটা এত সহজ নয়। আমাদের এটা নিয়ে আরও ভাবতে হবে। এ জন্য কাঠামো, নিয়ম ও অনুশাসন ইত্যাদির প্রয়োজন। এটা এমন একটা বিষয় যেটা এগিয়ে নিয়ে কাজ করতে আমরা আগ্রহী।
২০১০ এ মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে মানবাধিকারের বিষয়টি। ঠিকভাবে শ্রমিকদের পারিশ্রমিক না দেয়া এবং হতাহতের সংখ্যা কম দেখানোর মতো অভিযোগের মুখোমুখিও হতে হয়েছে আয়োজক কাতারকে।
]]>




