কড়া নিরাপত্তায় চলছে রংপুরে ভোটগ্রহণ
<![CDATA[
রংপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছেন। রোববার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টায় ৮টি কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। ভোটগ্রহণ শেষ হবে দুপুর ২টায়। স্বচ্ছ নির্বাচনের লক্ষ্যে ৮টি কেন্দ্রের ১৬টি বুথে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা।
রংপুর জেলার ৮ উপজেলার ৭৬টি ইউনিয়ন পরিষদ, তিন পৌরসভা ও এক সিটি করপোরেশনের এক হাজার ৯৫ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনে মোট ২ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইলিয়াস আহমেদের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু।
সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে রংপুরের প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছেন। প্রতিটি কেন্দ্রেই ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিটি বুথে ৩টি করে সিসি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে পুলিশের দশটি মোবাইল টিম, র্যাবের দুটি এবং বিজিবির একটি প্লাটুন দায়িত্ব পালন করছেন। নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটাররা মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারছেন না।
ভোটগ্রহণের ঘণ্টাখানেক পরে রংপুর জেলা স্কুলকেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন জেলা প্রশাসক রিটার্নিং অফিসার আসিফ আহসান, জেলা পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী, মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আল মাহমুদ হাসান সরকার এবং জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন।
আরও পড়ুন: ৫৭ জেলা পরিষদে ভোটগ্রহণ শুরু
কেন্দ্র পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসক আসিফ আহসান বলেন, এখন পর্যন্ত প্রতিটি কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছেন। প্রতিটি কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আল মাহমুদ হাসান বলেন, জেলা পরিষদের জন্য রংপুর জেলা স্কুল কেন্দ্রটি মহানগর পুলিশের আওতায়। এখানে আমরা পর্যাপ্ত পুলিশের ব্যবস্থা করেছি। এখন পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।
সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে। নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটাররা মোবাইলফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারছেন না।
]]>




