রাখাইনে আর্টিলারি হামলায় চার বেসামরিক নিহত
<![CDATA[
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সোমবার (১৭ অক্টোবর) জান্তা বাহিনীর আর্টিলারি হামলায় এক শিক্ষকসহ তিন জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৩ জন। খবর ইরাবতীর।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্যের মিনবিয়া শহরে অবস্থিত লাইট ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়নের সৈন্যরা স্থল মাইন হামলার শিকার হওয়ার পর স্থানীয় গ্রামগুলোতে গোলাগুলি চালায়। এতে গ্রামগুলোতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, জান্তা বাহিনী পালাউং পাইন গ্রামে হামলা চালালে ৫০ বছর বয়সী এক মহিলা স্কুলশিক্ষক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এসময় একই গ্রামের দুই বোন হামলার শিকার হয়ে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) স্থানীয় একজন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছে। এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে কেননা জান্তা বাহিনী এখনো হামলা অব্যাহত রেখেছে।
খবরে বলা হয়, জান্তা বাহিনী শহরের সড়কগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। এ কারণে স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ তার নিজ বাড়িতে নেয়া সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন: মিয়ানমারে বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছে না বাসিন্দারা, ক্ষতির মুখে জান্তা
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জান্তা বাহিনীর হামলা অব্যাহত থাকায় শহরের স্কুল ও দোকানপাটও বন্ধ ছিল। একজন বাসিন্দা বলেন, মানুষ বাড়ির ভিতরেই অবস্থান করছে এবং কেও রাস্তায় বের হওয়ার সাহস পাচ্ছে না।
সংবাদমাধ্যম ইরাবতী জানায়, ভয়ে গ্রামবাসীরা পালিয়ে যাওয়াই তারা স্বাধীনভাবে প্রতিবেদন যাচাই করতে পারেনি।
একই দিন, রাত ৮ টায় কিসপানদী ব্রিজে অবস্থানরত জান্তা সেনারা মর্টার শেল নিক্ষেপ করলে রাখাইনের কিউকতাও শহরের ৩০ বছর বয়সী এক মুসলিম মহিলাও নিহত হন।
আরও পড়ুন: মিয়ানমারে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ সেনা নিহত
কিউকতাও শহরের এক প্রবীণ বলেন, সেনারা সেতুর দুই পাশের বাড়ি লক্ষ্য করে গোলা ছুঁড়ছিল। আমরা ভয়ে পালিয়ে গিয়েছিলাম। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, মহিলা হামলার শিকার হলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।
এর আগে গত আগস্টে জান্তা বাহিনী এবং আরাকান সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে কিউকতাও, ম্রাউক-উ এবং বুথিডাং-এ জান্তা আর্টিলারি হামলায় অন্তত ৫ জন মারা যান এবং ২০ জনের বেশি আহত হয়।
]]>




