জাতীয় তামাকমুক্ত দিবসে ফেনীতে অবস্থান কর্মসূচি ও লিফলেট বিতরণ
ফেনী | তারিখঃ October 19th, 2022 | নিউজ টি পড়া হয়েছেঃ 200 বার
শহর প্রতিনিধি->>
জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস এ ফেনীতে অবস্থান কর্মসূচি ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। একতা মহিলা উন্নয়ন সমিতির আয়োজনে বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া ইসলাম।
বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর সহযোগিতায় আয়োজিত কর্মসূচীতে অতিথি ছিলেন ফেয়ার’র নির্বাহী পরিচালক ও দৈনিক মানজমিনের জেলা প্রতিনিধি নাজমুল হক শামীম, দৈনিত জনতার জেলা প্রতিনিধি মফিজুর রহমান, ফেনী লিও ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউসুফ আহমেদ নিশাদ, আলাপন আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের সদস্য আমিনুল শাহীনসহ একতা মহিলা উন্নয়ন সমিতির সদস্যবৃন্দ।

ডাব্লিউ বি বি ট্রাষ্টের এক তথ্যে জানা যায়, তরুণদের কর্মসংস্থান, দারিদ্রতা দূরীকরণ, বৃক্ষরোপণ সহ বিভিন্ন সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রমের আড়ালে তামাক কোম্পানিগুলো নিজস্ব লোগো ব্যবহার করে দেশব্যাপী তাদের পণ্যের প্রচারণা চালাচ্ছে। এমনকি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের দোহাই দিয়ে বিভিন্ন দোকান ও লোকসমাগমের স্থানে চকলেট পানি ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেটের মূল্য সম্বলিত স্টিকার লাগিয়ে রাখে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা নীতি প্রণেতাদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ স্থাপন এবং নিজেদের সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। যা সার্বিক তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম এর বড় অন্তরায়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি খসড়া প্রস্তাব পেশ করেছে। খড়সার কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতায় (সিআরএস) তামাক কোম্পানির সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কার্যকর তামাক নিয়ন্ত্রণের যা অত্যন্ত যৌক্তিক এবং প্রশংসার দাবিদার।
আন্তর্জাতিক চুক্তি ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোবাকো কন্ট্রোল (এফসিটি) অনুসারে তামাক কোম্পানির সহযোগীদের কেও তামাক কোম্পানী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তামাক কোম্পানিগুলোর তুলনায় অনেক বেশি টাকা সিএসআর কার্যক্রমে ব্যয় করে। সরকারি বেসরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অন গ্লোবাল টোবাকো ইপিডেমিক ২০২১ অনুযায়ী ইরান, নেপাল উরুগুয়ে, নাইজেরিয়া, স্পেন, রাশিয়াসহ বিশ্বের ৬২টি দেশে তামাক কোম্পানীর সিএসআর কার্যক্রম সম্পন্ন নিষিদ্ধ করেছে। তামাক কোম্পানিগুলোর এসব লোক দেখানো সামাজিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে উল্লেখিত পরিমাণ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার বিধান রাখা জরুরী। উক্ত অর্থ সরকার তার প্রয়োজন মোতাবেক খাতে ব্যবহার করতে পারবে।




