সাফজয়ী নারী ফুটবলারদের নামে পার্বত্য অঞ্চলে হচ্ছে ব্রিজ
<![CDATA[
সাফজয়ী পাহাড়ি কন্যাদের সংবর্ধনার পাশাপাশি আর্থিক পুরস্কার দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়। দেশের ফুটবলে নতুন ইতিহাস রচনা করায় মনিকা-রিতু-রুপনাদের নামেই পার্বত্য অঞ্চলে হচ্ছে একটি ব্রিজ। তবে নিজেদের জন্য নয়; বরং গ্রামের মানুষের জন্য সুপেয় পানি ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি চাইলেন পার্বত্য তিন জেলার ফুটবলাররা।
২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জয় করে দেশ ফিরেই রাজসিক সংবর্ধনা পেয়েছিল সাবিনা-কৃষ্ণা-সানজিদারা। দেশের ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে চড়ে বাফুফেতে ফেরে সাফজয়ী বাংলার জয়িতারা। এমন অর্জন গর্বিত করে পুরো জাতিকে।
রাজধানীতে সংবর্ধনা পাওয়ার পর, নিজ নিজ জেলায়ও ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন নারী ফুটবলাররা। সময় পেরিয়েছে বেশ ক’দিন, কিন্তু সাফল্যের চূড়ায় ওঠায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখনও ছোটনের শিষ্যরা। ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরার পর পাহাড়ি কন্যাদের বরণ করে নিল পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
আরও পড়ুন:র্যাঙ্কিংয়ে ৭ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল
মনিকা-রিতুপর্ণা-রুপনাদের সঙ্গে সহকারী কোচ তৃষ্ণাকে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে আর্থিক পুরস্কার দেয় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর। দেশের ফুটবলে নতুন ইতিহাস রচনা করায় পাহাড়ি কন্যাদের নামেই পার্বত্য অঞ্চলে হচ্ছে একটি ব্রিজ। মন্ত্রণালয়ের এমন আয়োজনে খুশি মনিকা-রিতুপর্ণারা। এবার আর নিজেদের জন্য নয়; বরং গ্রামের মানুষের জন্য সুপেয় পানি ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি চাইলেন পার্বত্য তিন জেলার ফুটবলাররা।
সাফজয়ী মনিকা চাকমা বলেন, ‘বাসায় যখন গিয়েছি তখন থেকেই ওনারা খোঁজখবর নিচ্ছেন–কবে আমরা ঢাকায় আসব, কবে সময় দিতে পারব? পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছে আমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। ওনারা আমাদের এত চমৎকার সংবর্ধনা দিয়েছেন।’
ঋতূপর্ণা চাকমা বলেন, ‘সত্যি বলতে নিজের জন্য কিছু চাই না। আমার এলাকাবাসীর সুবিধার্থে এলাকার রাস্তাঘাট, পানীয় জলের অভাব দূর, আমার প্রিয় বিদ্যাপীঠকে সরকারিকরণের আকুতি জানিয়েছি।’
সাফ জয়ের অনুপ্রেরণায় সামনেও দেশের জন্য সফলতা বয়ে আনবে এই মেয়েরা–এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
]]>




