নিষেধাজ্ঞা শেষে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে ফের ইলিশ ধরা শুরু
<![CDATA[
ইলিশ শিকারে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে। রাত ১২টার পর জেলেরা নির্বিঘ্নে আবারও ইলিশ শিকার করতে পারবেন।
তাই সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরের জেলেরা ইলিশ শিকারের প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সাড়ে ৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে পাঁচ মাসের মৌসুমি পাস নিয়ে তারা সাগরে ধরবেন লটকি, চিংড়ি, ছুরি, চকলেট, মধুফিসাসহ বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ। আর সাগরেই চট্টগ্রামসহ খুলনা এলাকার কয়েকজন মৎস্য ক্রেতাদের কাছে ১০-১৫ দিন অন্তর তাদের সংগ্রহ করা মাছ বিক্রি করবেন জেলেরা বলে জানা গেছে।
এদিকে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি অনুদান না পাওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন জেলেরা।
জেলা মৎস্য অফিসের দেয়া তথ্যমতে, সাতক্ষীরায় নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ৪৯ হাজার ৩৬৮ জন। এর মধ্যে নিষেধাজ্ঞার সময় খাদ্য সহায়তা পান ১২ হাজার ৮৭৯ জন।
আরও পড়ুন: ২২ দিন ইলিশ ধরা ও বেচাকেনা নিষিদ্ধ
তবে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনিছুর রহমান জানান, ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধকালীন জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি নৌযানে জিএসএম ডিভাইস লাগানো হয়।
এর আগে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।
ওই ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকে। ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রে সব ধরনের মৎস্য আহরণও এ সময় নিষিদ্ধ থাকবে। ইলিশের নিরাপদ প্রজননের স্বার্থে এ সময় মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয় বলে জানায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য, ২০০৩-০৪ সাল থেকে বাংলাদেশে জটকা রক্ষা কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে।
]]>




