৫ হাজার রিকশাচালককে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার মিন্টু
<![CDATA[
চট্টগ্রামে আট বছরের শিশু সুরমাকে ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত রিকশাচালক ওসমান হারুন ওরফে মিন্টুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তিন শতাধিক সিসি ক্যামেরা এবং ৫০০ গ্যারেজ অনুসন্ধানের পাশাপাশি পাঁচ হাজার রিকশাচালককে জিজ্ঞাসাবাদের পর বুধবার (১২ অক্টোবর) চাঞ্চল্যকর সুরমা হত্যা মামলার ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
জানা গেছে, গত ২৫ দিনে সুরমার হত্যাকারীর সন্ধানে নগরীর ৮টি থানা এলাকার অন্তত ৫০০ রিকশা গ্যারেজে অভিযান চালায় বন্দর থানা পুলিশ। একই সঙ্গে অনুসন্ধান করা হয়েছে তিন শতাধিক সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ। এমনকি সন্দেহভাজনকে শনাক্তে গোপনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে পাঁচ হাজারের বেশি রিকশাচালককে। শেষ পর্যন্ত বুধবার বিকেলে নগরীর ডবলমুরিং থানা এলাকায় পাওয়া যায় হত্যাকারী হিসেবে সন্দেহভাজন রিকশাচালক ওসমান হারুন ওরফে মিন্টুকে।
সিএমপির (আপস-মোবাইল ক্লিপ) সহকারী কমিশনার (বন্দর) মাহমুদুল হাসান বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরপরই ছদ্মবেশে চলে যায় অভিযুক্ত রিকশাচালক। যে কারণে সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়ার পরও তাকে শনাক্তে পুলিশকে বেগ পেতে হয়। আটকের পর রাতভর চলে তাকে নিয়ে ঘটনাস্থলগুলো একের পর এক পরিদর্শন। অবশ্য রিকশাচালক নিজেই দেখিয়ে দিয়েছে শিশু সুরমাকে রিকশায় তুলে নেয়া থেকে শুরু করে হত্যা করার স্থান পর্যন্ত।
আরও পড়ুন: বিউটিশিয়ানকে বাসায় ডেকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ২
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিন্টু স্বীকার করেছেন, বিরিয়ানি খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশু সুরমাকে রিকশায় তুলে নিয়েছিলেন তিনি। পরে বন্দরের পরিত্যক্ত ভবনে এনে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।
সিএমপির উপকমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে বন্দরের আওতাধীন পরিত্যক্ত একটি ভবন থেকে শিশু সুরমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন বন্দর থানায়।
]]>




